শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৬:০৬ পিএম, ২০২৩-০৩-১১
সাইফুল ইসলাম, বাউফল প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর বাউফলে র্যালী ও আলোচনা সভা মধ্যদিয়ে আর্ন্তজাতিক নারী দিবস পালিত হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন ও স্পিড ট্রাস্টের আয়োজনে ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, জেন্ডরা বৈষম্য করবে নিরসন’ এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে নারী দিবসে বিশেষ কমূসূচী গ্রহন করেন। কর্মসূচী মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, র্যালী, গনস্বাক্ষর ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এএলআরডি স্টান্ড ফর হার ল্যান্ড ক্যাম্পেইন সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে পরিষদ চত্ত্বর থেকে র্যালী বের হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করেন। এর পর নারীর ভূমি অধিকার নিশ্চিতে দাড়াই একসাথে সহমত পোষন করে গনস্বাক্ষর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সকল অতিথিবৃন্দ ও উপস্থিত সূধীজন। সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল আমিন সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা: মরিয়ম বেগম নিসু, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো: শামসুল আলম, বাউফল প্রেস ক্লাব সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম ও স্পিড ট্রাস্ট মিশন হেড এইচ এম শামসুল ইসলাম দিপু। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম নিসু, বীরমুক্তিযোদ্ধা সামসুল আলম মিঞা, বাউফল প্রেসক্লাব সভাপতি আমিরুল ইসলাম, এএলআরডি প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ সোহেল রানা ও স্পিড ট্রাস্ট ভলান্টিয়ার খাদিজা বেগম প্রমুখ। সভার শুরুতেই ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, জেন্ডরা বৈষম্য করবে নিরসন’ এই প্রতিপাদ্য বিষয় ধারনা পত্র পাঠ করেন সুমাইয়া বেগম। ধারনাপত্রে সুমাইয়া বলেন, বিশ্বব্যাপী নারীর সামাজিক মর্যাদা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার অর্জনের লক্ষ্যে ১৯১০ সাল থেকে পৃথিবীর দেশে দেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত হচ্ছে। নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণ, অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সর্বক্ষেত্রে সমতা অর্জনে এই দিবস পথ প্রদর্শকের ভূমিকা রাখে, নারীকে দেয় প্রেরণা এবং করে আত্মপ্রত্যয়ী হতে সহযোগিতা। নারীর অধিকার, বৈষম্য ও সমতাকে প্রাধাণ্য দিয়ে প্রতি বছর এই দিবসে বিশ্বব্যাপী প্রতিপাদ্য ঘোষণা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে নারী দিবসের প্রতিপাদ্য হলো- “ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, জেন্ডরা বৈষম্য করবে নিরসন’’।
প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আন্তজার্তিক নারী দিবস। এমনই বাস্তবতায় পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৩। এই দিবসকে কেন্দ্র করে সরকারি-বেসরকারিভাবে নানাবিধ কর্মসূচী পালন করা হলেও যাদের জন্য এই দিনটিকে বিশেষায়িত করা হয়েছে তাদের বেশির ভাগই থাকেন দৃশ্যপটের বাইরে। তবে আজ আমরা নারীরা আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভার মাধ্যমে নারীদের অবস্থার পরিবর্তনে, তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নে কয়েকটি বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নজর দেয়া অত্যন্ত জরুরী বলে মনে করছি।
কৃষি প্রধান বাংলাদেশে কৃষি অর্থনীতিসহ সার্বিক অর্থনীতিতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে নারীরা কৃষি কাজের সাথে ওতোপ্রতোভাবে জড়িত।
ড. আবুল বারকাত পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায়, ভূমিতে গ্রামীণ নারীর মালিকানা মাত্র ২-৪ শতাংশ এবং বাকি ৯৬ শতাংশ জমির ব্যক্তি মালিকানা রয়েছে পুরুষের নামে। বৈষম্যমূলক ভূমি বন্টন ব্যবস্থাপনার কারণে নারীরা অবদমিতই থেকে যাচ্ছে। অথচ মহান সংবিধানে- কিন্তু নারী-পুরুষের মধ্যে কোন বৈষম্য উল্লেখ নাই। অনুচ্ছেদ-২৭ অনুযায়ী ‘আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান’, অনুচ্ছেদ-২৮/১ অনুযায়ী ‘কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না’ সুষ্পষ্টভাবে বলা থাকলেও সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের জন্য ধর্মীয় ও পুরুষতান্ত্রিক পারিবারিক আইন বলবৎ রয়েছে।
বাংলাদেশের বেশির ভাগ গ্রামীণ নারীই দরিদ্র এবং ভূমিহীণ। বেঁচে থাকার তাগিদে, একটু ভালো থাকার চেষ্টায় তারা দিনমজুর হিসেবে কৃষিখাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো পুরুষের সমান কাজ করে, এমনকি পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি সময় কাজ করেও কম মজুরি পায়। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ৩৪৫ ধারা অনুযায়ী নারী-পুরুষের সমকাজে সমান মজুরি প্রদানের কথা থাকলেও স্বাভাবিকভাবে পুরুষদের দৈনিক মজুরি যেখানে ৪০০-৬০০ টাকা, নারীরা সেখানে পায় মাত্র ৩০০-৩৫০ টাকার মতো। নারীকে অবদমিত করে রাখার জন্য পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতায় যুগ যুগ ধরে চলে আসা কিছু সামাজিক রীতিনীতি ও আচরন নারীর অধিকারকে বাধাগ্রস্থ্য করে চলেছে। “পুরুষ যা পারে নারী তা পারে না ”- এমন প্রচলিত ধারণা সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণকে সীমিত করছে,
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সকল গ্রামীণ নারীর পক্ষে আমাদের দাবীসমূহঃ নারীকে কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে, সকল সুযোগ-সুবিধায় নারীর অন্তভূক্তি নিশ্চিত করতে হবে।আদিবাসীসহ সকল জাতি ধর্মের নারীর জন্য, সম্পদ-সম্পত্তিতে সমঅধিকার নিশ্চিত করতে হবে।খাস জমি বন্দোবস্তে নারী প্রধান পরিবারের ক্ষেত্রে সক্ষম পুত্র সন্তান থাকার শর্ত বাতিল করতে হবে।নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে মজুরী বৈষম্য বিলোপ করে সর্বক্ষেত্রে নারীদের সমান মুজুরী নিশ্চিত করতে হবে।
নারীর ক্ষমতায়নে উদ্যোক্তা তৈরীতে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে কৃষি অধিদপ্তর আয়োজিত কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণে শর্ত ছাড়াই নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। অনুষ্ঠিত নারী দিবসে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ সকল পেশার শতাধিক নারী পুরুষ অংশগ্রহন করেন।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ জামালপুরঃ জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমে কৃষকের মাঠে-মাঠে সবুজে...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, গতকাল (মঙ্গলবার) বাংলাদেশের হাইকমিশ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নয়স্থ ১নং ও ২ ন...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের আগে প্রতি বছর যে পরিমাণ মানুষ কারা হেফাজতে মারা যেতেন, সেই ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক : সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নি...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ জামালপুরঃ শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর আত্মার মাগফিরাত কামনা ও বিএনপি`...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited